#metoo এবং অভিজ্ঞতা

সোমবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৮ ১২:৩০ PM | বিভাগ : প্রতিক্রিয়া


এই যে সেলিব্রেটি আলোচনায় থাকার জন্য #metoo বললেন,  এরপর কি করবেন??

খুব তো সাহস দেখালেন নিউজ করলেন, এখন যার বিরুদ্ধে লিখলেন সে কি ছেড়ে দেবে?

যখন হয়েছিলো তখন লিখলেন না কেনো?

কি প্রমান আছে?

এমনি তে হি..... তারপর আবার এইসব লিখছ, এখন কোন ডিরেক্টর তোরে কাজ দেবে?

এই শিল্পকলা রিলেটেড মেয়েগুলাই দেখেছেন এইসব লিখছে। কেনো আর তো কেউ লেখে নাই? তাইলে কি শিল্পকলাই নস্টের মূল?

কি সব ভাষা শিশির?

এই সব কথা কেউ লেখে?

কি দরকার ছিলো শিশির?

সাহসী মেয়ে ভালো, তবে দরকার ছিলো না।

তোর এই সব জানার পর তোর রিলেশন টা থাকবে?

থানায় মামলা হলে কি করবে?

অই ছেলে আর কোনোদিন ও তোর সামনে আসবে না। দেখিস।

তোমার কাছে থেকে এইসব আশা করি নি।

তুমি ধোয়া তুলসি পাতা?

উত্তর:: আমার শরীর আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্পর্শ করার অধিকার কারো নেই। আমার মতো আরো একজন ট্রান্সজেন্ডার নারীর সমাজে জায়গা করার জন্যই কথাগুলো বেশি দরকার ছিলো। কারণ মাইনোরিটি পিপলসরা সব জায়গায়ই নিপীড়িত। কাজ করবো নিজের দক্ষতায়, মিডিয়া বা মঞ্চে শরীর বা #মিটু সেখানে বাধার কারণ নিশ্চয় হবে না।।মামলা করলে আর কি আর ১০ টা মেয়ে যারা লিখেছেন তাদের যা হবে আমার ও তাই হবে। সত্যি আজীবনই সত্যি। সত্যিটা আমার কাছে প্রাণের চেয়ে ও প্রিয়। এত ভয় পাই না।

শিল্পকলার মেয়েরা ন্যায় অন্যায় বোঝে, আপোষ করে না। সত্যিটা বলার সাহস জোগায় শিল্প, শিল্প সত্তা টাকে নিজের মধ্যে লালন করে, শিল্প বাঁচিয়ে রাখার জন্য স্ট্রাগলটা আপনারা বাইরে থেকে দেখেন ও না জানেন ও না।

আমার লাইফ আমায় একটু ভাবতে দিন আমি এতদুর আসছি একদম নিজের চেষ্টায়।। আপানার আপনাদের জীবন নিয়ে ভাবেন। আর আপনাদের মেয়েদের সাথেও এমন হোক তারপর আপনারা বুঝবেন,, আমার ইনবক্স এ মি: বিজু সম্পর্কে আমি আর কিছু শুনতে চাই না। প্লিজ আপানাদের কিছু বকার থাকলে সবার সামনে বলেন। এই টুকু সাহস না থাকলে আমার ইনবক্স ভারী করার কোনো দরকার নেই।

আর ও অনেক কিছু লেখার ছিলো আসলে ইচ্ছা করছে না।
বাদ থাক লো ভালবাসা?
আপাতত থাক। সে গল্প টা যদি কোনোদিন প্রয়োজন হয় (জানি কোনোদিন ও আর সে গল্পটা বলতে হবে না, কারণ আর যাই হোক চোখ গুলিতে আজো মায়া আর সম্পর্ক শ্রদ্ধা আছে) আরেকদিন বলবো।


  • ৬১৪ বার পড়া হয়েছে

পূর্ববর্তী লেখা পরবর্তী লেখা

বিঃদ্রঃ নারী'তে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার বিষয়বস্তু, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যসমুহ সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব। প্রকাশিত সকল লেখার বিষয়বস্তু ও মতামত নারী'র সম্পাদকীয় নীতির সাথে সম্পুর্নভাবে মিলে যাবে এমন নয়। লেখকের কোনো লেখার বিষয়বস্তু বা বক্তব্যের যথার্থতার আইনগত বা অন্যকোনো দায় নারী কর্তৃপক্ষ বহন করতে বাধ্য নয়। নারীতে প্রকাশিত কোনো লেখা বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রকাশ কপিরাইট আইনের লংঘন বলে গণ্য হবে।


মন্তব্য টি

লেখক পরিচিতি

তাসনুভা আনান

মানবাধিকারকর্মী, অভিনেত্রী

ফেসবুকে আমরা