মেয়েদের বিবাহ অভিযান

শনিবার, আগস্ট ৮, ২০২০ ৪:৩৪ AM | বিভাগ : সমাজ/গবেষণা


মাত্র বারো বছর। আমার মেয়ের বয়স। সুযোগ পেলে দিনরাত এক করে সিনস্যান আর ডোরেমন দেখে যেতে পারে। এই সেদিন, হঠাৎ আমাকে প্রশ্ন করলো, ডোরেমনে তোমার প্রিয় ক্যারেক্টর কোনটা মা? সিজুকা -আমি উত্তর দিলাম। মেয়ে বললো, সিজুকা তোমার প্রিয় হয় কী করে মা? ও তো বড়ো হয়ে একটা ভালো বউ হবে। ডোরেমনের টাইমমেশিন দেখিয়েছে।

অদ্ভুত যুক্তি! অবাক হলাম। বললাম, কেনো? ভালো বউ হলে প্রিয় হতে পারে না? মেয়ে বললো, না। ভালো বউ হওয়া কোনো অ্যাম্বিশান হলো মা?

আমার ছোটবেলায়। বড়োবেলায়। আজও। আমি তো কেবল ভালো বউ-ই হতে চেয়েছি! ঈশ্বরের কাছে প্রতিটি প্রণামে একটা ভালো বর-ই তো চেয়েছি কেবল! চৈত্র সংক্রান্তির মাটিফাটা রোদে শিব ঠাকুরের নামে সারাদিন নির্জলা উপোস করেছি ভালো বর পাওয়ার লোভে। মাটির ঘটে তেল-হলুদ লেপে সরষে ফুলে সাজিয়ে ইতুপূজা করেছি আউবুড়োর বিয়ে হয় বলে। রাজপুত্রের মতো বর পাওয়া যায় বলে। পুজো শেষে মা বলতো, গড় হয়ে প্রণাম করে ভালো বর চেয়ে নে। তাই করেছি অগ্রহায়ণ মাসের প্রতিটা রবিবারে।

শিব ঠাকুর আর ইতু ঠাকুরানী 'ভালো বর' স্পেশালিষ্ট। ইতু ঠাকুরানী তো বিখ্যাত গাইনোকোলোজিস্ট। কেবল মেয়েদের জন্য। ভালো বর আর সুখের সংসার দানে সিদ্ধহস্ত। তবে মেয়েদের 'স্বাবলম্বী' করার কোনো দেব-দেবী হিন্দু শাস্ত্রে নেই। সে 'বর' দানের সাহস কোনো দেবতাও দেখায় নি। মেয়েদের সমস্ত ব্রতকথায় একটা সুখী গৃহকোণের হাতছানি থাকে একটা ভালো বরের হাত ধরে। পুরুষের দয়ার উপর প্রাসাদ নির্মাণ করে রাজরানী হওয়ার স্বপ্ন লেখে মেয়েদের সব ব্রতকথা।

একটা ভালো বর ছাড়া মেয়েদের জীবনে আর কোনো চাওয়া থাকতে পারে, ভালো বউ হওয়া ছাড়াও আর কোনো অ্যাম্বিশন থাকতে পারে -এ শিক্ষা আমি পাই নি কোনোদিন।

'বর' শব্দটার মধ্যে আকর্ষণও কম নেই! বেশ ব্যঞ্জনাধর্মী। 'বর' মানে স্বামী। আবার 'বর' মানে আশীর্বাদ। অর্থাৎ, স্বামী আমাদের জীবনে আশীর্বাদস্বরূপ। তাকে মাথায় করেই রাখতে হয় !

যদিও পরতে পরতে ধাক্কা খেয়েছে আমার মন। আমার খুব অল্প বয়সের এক সকালে এক গোলগাল চেহারার ফর্সা টুকটুকে বউ রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলো। সঙ্গে একই উচ্চতার, একই চেহারার আমারই বয়সের দু'টো মেয়ে। ওদের হাতে এক টুকরো করে পাউরুটি ছিলো। জল খাবে বলে আমাদের বাড়ি নেমেছিলো। অনেকটা পথ হেঁটে মেয়ে দু‘টো ক্লান্ত। গ্লাসে জল পেয়ে পাউরুটির টুকরোটা তাতে ভিজিয়ে ভিজিয়ে পরম তৃপ্তিতে খাচ্ছিলো ওরা। এই খাওয়াতে একটা অসহায়তার গন্ধ পাচ্ছিলাম আমি। ওদের মা আমার মায়ের সাথে কথা বলছিলো। আমার কান ছিলো সেদিকে। ওরা যাচ্ছে যমুনা প্রধানের বাড়ি। কিছু একটা বিচারের আশায়। ওদের বাবা ওদের মাকে এবং ওদেরকেও ছেড়ে সুখে ঘর বেঁধেছে নতুন করে।

তারপরের গল্প আমার আর জানা হয় নি। ওদের সাথে আর কোনোদিন দেখা হয় নি।

না। ভুল বললাম। দেখা তো হয়েছে! অনেকবার। অনেক জায়গায়। অনেক রকমভাবে। রিক্সাচালকের ঘরে। কৃষকের কর্ষিত জমিতে। ব্যবসিকের দোকানে। চাকরিজীবীর অফিসে। শহরের বস্তিতে। গ্রামের মাটির দাওয়ায়। প্রাসাদোপম বাড়িতেও।

যতো দেখেছি, ততো ভেবেছি। কেনো মেয়েরা ভালো বর পেয়ে সুখী হতে চায়! কেনো বাবারা নিজের মেয়েকে অন্যের ভরসায় ছেড়ে দেয়! কেনো অন্যের দয়ার সাথে নিজের মেয়ের জীবনটাকে বেঁধে দেয়! কেনোই বা সারাজীবনের সঞ্চিত সম্পদ খরচ করে মেয়ের বিয়ে দিয়ে পরম নিশ্চিন্ত হয়!

আর তারপর কেউ সত্যিই সুখী হয়। কেউ 'সুখী'-র সাথে 'মোটামুটি' শব্দটা জুড়ে নিয়ে জীবন কাটিয়ে দেয়। কেউ আবার হঠাৎই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার শব্দ শুনতে পায়। ঘর পোড়ার গন্ধ যখন নাকে এসে লাগে, কেউ সেই আগুন নিজের গায়ে লাগিয়ে নেয়। কেউ ঝুলে পড়ে সিলিং-এ। যাদের এ পথও বন্ধ, তারা অতি কষ্টে মেয়ের হাতে পাউরুটির একটা টুকরো ধরিয়ে দিয়ে প্রধানের বাড়ি হাঁটে।

তবুও। আজও। মেয়ের বাবা তার সব গচ্ছিত সম্পদ খরচ করে দেয় মেয়ের বিয়ের জন্য। মেয়েকে নিজের পায়ে দাঁড় করানোর জন্য না। যেনো মেয়েদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোটা একেবারেই অলীক ব্যাপার !

তাই তো মাধ্যমিক পরীক্ষার মাত্র ক‘দিন আগেই মেয়ের বিয়ে হয়ে যায়। উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষাটা দেওয়া হয় না কারো। কারো আবার বিএ ফাইনাল ইয়ার থমকে যায় মাঝপথে। একটা ভালো পাত্রের সন্ধান পেয়ে ধন্য হয়ে যায় মেয়ের বাপ-মা। মেয়েরাও।

একটা উপযুক্ত চাকরি পাওয়ার অপেক্ষায় ছেলের বিয়ে পাঁচবছর পিছিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু মেয়ের পড়াটা সম্পূর্ণ হওয়ার জন্য মাত্র কয়েকটা মাসও অপেক্ষা করা যায় না। যেনো মেয়েদের পড়াশোনাটা এমনই একটা ফালতু ব্যাপার! এবং এর যেটুকু মূল্য তাও শুধুমাত্র একটা ভালো পাত্র জোটানোর জন্য। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মেয়েদের নাচ-গানও শেখানো হয় এই উদ্দেশ্যে। এক্সট্রা কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটি! এতে কিছু বাড়তি নাম্বার আসে পাত্র পক্ষের কাছ থেকে। যারা ভালোবেসে নাচ-গান করেন তারা রাগ করবেন না প্লিজ! সবকিছুরই ব্যতিক্রম আছে।

সময় বদলেছে। কিছু পরিবর্তন নিশ্চয়ই এসেছে মানুষের মনে। কিন্তু এখনও সমাজের সর্বত্র এ-নিয়ম চলছে। মেয়েকে আপন ভাগ্য জয় করার অধিকার কেউ দেয় না। মেয়েরাও চায় না বোধহয়! তাই তার কপালে একটাই শব্দ লেখা থাকে -'বিয়ে'।

আর যদি কেউ ভাগ্যকে জয় করেও ফেলে, তবুও বাঁধা পড়ে থাকে সেই 'বর'-এর সাথে। আমার পরিচিত একজন আছে। মাতাল। তার বউ পুলিশ। কিন্তু ডিউটি সেরে বাড়ি ফিরে পুলিশ বউ- ও রোজ অকথ্য গালাগাল শুনে। মার খায়। আর প্রসংশা কুড়ায় -কী ভালো বউ !

এক মহিলা জাজের গল্প। আদালতে অপরাধের বিচার করে। বাড়ি ফিরে বরের চরম অত্যাচার সহ্য করে। ভালো বউ! প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক। এরা তো রোজগার করে। চাইলেই তো বেরিয়ে আসতে পারে এসব থেকে। কিছুই যখন পায় না, থাকে কেনো বরের গলায় ঝুলে?

কিছুই যে পায় না, কে বললো! পায়। ভালো বউয়ের গোল্ড মেডেল পায়। মায়েরা নিজের মেয়েকে ওর মতো হতে শেখায়। ছেলেরা ওর মতো বউ কামনা করে। সমাজকে সুস্থির রাখার উপহারে অনর্গল হাততালি এসে পড়ে গায়ে। এই হাততালি পাওয়ার মোহ দুর্বার। আফিঙের নেশার মতো। এই নেশায় ডুবে আছি আমরা বহু বছর ধরে। যুগে যুগে। এবং আজও।

আমার পরিচিত এক হাইস্কুলের দিদিমণি। কলকাতা থেকে অনেক রাতে ফিরবে কাকার ছেলে। বাড়ি পৌঁছাতে পারবে না, তাই দিদির বাড়ি উঠবে। কিন্তু এই দিদিমণি শাশুড়িকে বলতে পারে না ভাই আসবে। ভাইয়ের জন্য একটু ভালো-মন্দ কিছু রান্না করতেও পারে না। অনেক অস্বস্তি নিয়ে শেষ পর্যন্ত নিজের খাবারটাই বাঁচিয়ে রাখে ভাইয়ের জন্য। এবং এভাবেই সেও -খুব ভালো বউ!

শুনে বিশ্বাস হচ্ছে না তো? হ্যাঁ, এমনই হয় সত্যি গল্পগুলো। বাস্তব কখনও কখনও কল্পনাকেও হার মানায়। সংসারে কতোখানি জায়গা থাকলে এমন হয় বলুন তো? অথচ, আমরা মেয়েরা সারাজীবন আমার সংসার, আমার সংসার করে কাটিয়ে দিই। মেয়েদের চেয়ে বড়ো প্রবঞ্চক আর কেউ নেই। এতখানি আত্মপ্রবঞ্চনা বোধহয় একমাত্র মেয়েরাই করতে পারে। মেয়েরা যেটাকে নিজের সংসার মনে করে পরম যত্নে সাজায়, সেখানে কি সত্যিই তার কোনো অধিকার থাকে?

কোন অধিকারই বা আছে মেয়েদের! হিন্দু ধর্মে বাবা-মা'র মুখাগ্নিও করতে পারে না মেয়েরা। এমনকি যাদের পুত্রসন্তান নেই, তাদের মুখাগ্নি দূর সম্পর্কের কোনো ছেলে করবে, তবুও নিজের মেয়ের তাতে অধিকার নেই। আমি জানি না, ইসলাম বাবা-মার কবরে মাটি দেওয়ার অধিকার মেয়েদের দিয়েছে কিনা!

আমারও একটি মাত্র মেয়ে। এবং আমার মুখাগ্নি করার জন্য আমার ভাশুরের ছেলেরা এখনই তৈরি। কিন্তু আমি বলে দিয়েছি, আমার মুখাগ্নি করবে আমার মেয়ে। এতে যদি চিত্রগুপ্ত আমাকে নরকে পাঠানোর ব্যবস্থা করে তো করবে।

যে বাবা -মায়ের পুত্রসন্তান থাকে না, তারা সারাজীবন দুশ্চিন্তায় ভোগে -কে দেখবে বুড়ো বয়সে? সমাজও তাদের আহা-উঁহু করে সিমপ্যাথি দেখায়। কেনো? মেয়ে কেনো বাবা-মাকে দেখতে পারে না? ধুস্! কী করে পারবে! সে তো নিজেই বাঁচে অন্যের দয়ায়।

আমাকেও এমন আহা -উঁহু শুনতে হচ্ছে এখন থেকেই। আমার মেয়ে খুব রেগে যায় এসব শুনে। বলে, আমি কি নেই মা? আমি কি কিছুই না? সত্যিই তো! আমরা তো মেয়েদের কোনোদিনই কিছুই মনে করি নি। যেনো তাদের কোনো অস্তিত্বই নেই! আমরা মেয়েরাই কি আমাদের আলাদা অস্তিত্ব সম্বন্ধে খুব সজাগ? পরগাছার মতো বাঁচতে বাঁচতে দেহে ক্লোরোফিল থাকা সত্ত্বেও সালোকসংশ্লেষ ভুলে আছি।

মেয়েদের পরগাছা না বানিয়ে গাছ করা যায় কিনা ভেবে দেখলে হয় না? না। তার জন্য বিবাহের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণার দরকার নেই। তাকে স্বীকৃতি দিয়েও সম্ভব। ধরে নিলাম বিবাহ নামক প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টিই হয়েছে মানুষকে নিয়ন্ত্রণের জন্য। এবং এটাই স্বাভাবিক। এবং স্বীকৃত। এবং সমাজিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার উপায়।

কিন্তু তারপরেও বলবো, বিয়ে জিনিসটা অনেকটা বিনিময় প্রথার মতো। আর এখানে কী কী বিনিময় হয়, আমরা যারা বিয়ে করেছি বা দেখেছি তারা জানি সবাই। যদিও এই বিনিময় প্রথার বিরুদ্ধেও ঢাল-তলোয়ার নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ার কিছু নেই। চলুক না। কিন্তু তাই বলে মেয়েদের আলাদা এবং অপরিহার্য সত্ত্বার অস্তিত্ব থাকবে না কেনো? কেনো মেয়েরা নিজের আইডেন্টিটির মানচিত্র তৈরি করতে শিখবে না?

ছোটবেলায় মায়ের মুখে শুনেছি, যারা আগের জন্মে ধার করে খেয়ে শোধ দেয় না, তারা পরগাছা হয়ে জন্মায়। মায়েরা গল্প শোনায়। কিন্তু পরগাছা না হওয়ার মন্ত্র শেখায় না। শেখায় না একটা কান্ডযুক্ত গাছ হতে। যাতে ঝড় ঝাপটায় সোজা দাঁড়িয়ে থাকতে পারি। পরগাছা হয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসা আর সাঁতার না জেনে জলে ঝাপ মারা অনেকটা একই রকম নয় কি? দুঃসাহসিক অভিযানের মতো প্রতিপদে হাইরিস্ক থাকে না কি বিবাহে? স্বাবলম্বনের পাঠ না শিখিয়েই, বাবা -মায়েরা কীভাবে এই অন্ধকার অভিযানে পাঠিয়ে দেয় নিজের মেয়েকে! আর মেয়েরাই বা কেনো ঝাপিয়ে পড়ে?

তারপর বিপদ যখন সামনে খাড়া হয় -বরফের নীচে ফাটল ধরা পড়ে, অথবা অনেক বড়ো ঝড় ওঠে, অথবা বৃষ্টি নামে মেঘ ভাঙা; প্রতিবার শুনতে হয়, মানিয়ে নে মা। মানিয়ে নে। এই একই ক্যাসেট না বাজিয়ে কেনো মায়েরা একবার বলে না ঠাঁটিয়ে দে মা! বিয়ে যেখানে নেতিবাচক ও দমনমূলক সেখানে তার বিরোধিতা করাই ভালো। এই বিরোধিতা বিকৃতির বিরুদ্ধে। অসম্মানের বিরুদ্ধে। স্পষ্টতার পক্ষে। এবং এক বৃহত্তর সামাজিক মঙ্গলের জন্য।

বরের টাকায় ফুটানি মেরে। ভালো বরের অহংকার করে। গায়ে দামী গহনা -শাড়ি ঝুলিয়ে। সুখী জীবনের অ্যাড দিতে দিতে সুদক্ষ মডেল হয়ে উঠি আমরা। রেড কার্পেটে হাঁটি। মাটিতে পা ফেলতে ভুলে থাকি।

এতোখানি অসম্মানের কাছে নিজেকে সঁপে দেয় কী করে মেয়েরা! এবং আমিও। আমিও সারাদিন মুখস্থ করি 'সংসার সুখের হয় রমণীর গুনে'। তাই বরের মেজাজ হারিয়ে তছনছ করে ফেলা জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখি চুপচাপ। পাল্টা মেজাজ না হারিয়ে। কারণ, বড়োরা বলেন, মেয়েদের রাগ ভালো না। যদিও পুরুষের রাগ সংসারের কোন ভালোটা করে আমি আজও ঠিক বুঝে উঠতে পারি নি।

তবু্ও দিনের শেষে আমিও ভালো বউ -ই হতে চাই। একটা গোল্ড মেডেল। একটু হাততালির লোভ আমারও কি কম আছে! আর এই বস্তাপচা হাততালির লোভেই মেয়েরা ঝুলে মরছে বরের গালয়। বহু যুগ ধরে। আজও।


  • ৩৮৬ বার পড়া হয়েছে

পূর্ববর্তী লেখা পরবর্তী লেখা

বিঃদ্রঃ নারী'তে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার বিষয়বস্তু, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যসমুহ সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব। প্রকাশিত সকল লেখার বিষয়বস্তু ও মতামত নারী'র সম্পাদকীয় নীতির সাথে সম্পুর্নভাবে মিলে যাবে এমন নয়। লেখকের কোনো লেখার বিষয়বস্তু বা বক্তব্যের যথার্থতার আইনগত বা অন্যকোনো দায় নারী কর্তৃপক্ষ বহন করতে বাধ্য নয়। নারীতে প্রকাশিত কোনো লেখা বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রকাশ কপিরাইট আইনের লংঘন বলে গণ্য হবে।


মন্তব্য টি

লেখক পরিচিতি

সারথি বিশ্বাস

প্রাথমিক স্কুল শিক্ষক, পশ্চিম বঙ্গ।

ফেসবুকে আমরা