নারী দিবসঃ সোজাসাপ্টা কথা

রবিবার, মার্চ ৮, ২০২০ ৭:৪০ PM | বিভাগ : সাম্প্রতিক


পৃথিবীতে দুই ধরনের মানুষ আছে। এক ধরনের মানুষ নিজেকে মালিক ভেবে অন্যদেরকে তাঁর কর্মচারী ভাবতে থাকে। আরেক ধরনের মানুষ নিজেকে শ্রমজীবী ভেবে অন্যদেরকে তাঁর বন্ধু ভাবতে থাকে। এই নিজেকে শ্রেষ্ঠ ভাবার ব্যপারটা ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বারবার প্রতিফলিত হয় শ্রেষ্ঠত্ববাদী ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্র কর্তৃক। শ্রেষ্ঠত্ববাদীদের একটি ইংরেজি নাম আছে - সুপ্রিমেসিস্ট। 

পৃথিবীতে দুটি সুপ্রিমেসিস্ট মতাদর্শ আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো চোরের মায়ের বড় গলার মতো করে জোর গলায় নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের কথা বলে। এক. হিন্দুত্ববাদ, দুই. ইসলাম। হিন্দুত্ববাদ বর্ণ হিন্দুদের অন্য হিন্দুদের চেয়ে সেরা মনে করে। আবার ভারতের উগ্র সাম্প্রদায়িক দল আরএসএস মুসলিমদের ‘মুসলিম উম্মাহ’ ধারণার আদলে হিন্দু উম্মাহ ধারণা ভারতীয় জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে ইমপ্লিমেন্ট করার চেষ্টা করছে সমাজে। আরএসএস মুসলিমদের চেয়ে, খ্রিস্টানদের চেয়ে এবং বৌদ্ধদের চেয়ে হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ মনে করে। তাঁরা ভারতীয় জাতীয়তাবাদের আড়ালে হিন্দু জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী। আর তাই এর সদস্যরা অন্য হিন্দুদের মতো বর্ণবৈষম্যে বিশ্বাস করে না। 

ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব একটু ইউনিক কোয়ালিটির- সেখানে বৈশ্বিকতা বেশি। ইসলাম মনে করে, দুনিয়ার সব মুসলিম সব অমুসলিমের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। শুধু শ্রেষ্ঠ ভেবে বসে থাকেনি, বরং অমুসলিমদের কেবলমাত্র ইসলামের অনুসারী না হওয়ার কারণে সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব বলে দাবি করেছে! (দেখুন : কোরআন, ৯৮/০৬)। যেভাবে দুনিয়ার মানুষকে মুসলিম আর কাফের এই দু’ভাগে ভাগ করে কে শ্রেষ্ঠ আর কে নিকৃষ্ট তা নির্ধারণ করে দিয়েছে ইসলামের গ্রন্থ কোরআন, ঠিক তেমনিভাবেই দুনিয়ার সব মুসলিম পুরুষকে মুসলিম নারীর উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছে ইসলামের গ্রন্থ কোরআন। (দেখুন : কোরআন, ০৪/৩৪, ০২/২২৮) 

ইসলাম মুসলিম পুরুষদের ভয়ংকর শ্রেষ্ঠত্ব দানের পর দুনিয়ার তাবৎ অমুসলিম নারী-পুরুষ এবং মুসলিম নারীদের নিরাপত্তার দায়িত্ব দিয়েছে মুসলিম পুরুষদের হাতে। এজন্যই আমরা কোরআনের সূরা আন নিসার ১৯ নং আয়াতে মুসলিম পুরুষদের ঈশ্বর আল্লাহ কর্তৃক নারীদের সাথে সদ্ব্যবহার করার পাশাপাশি একই সূরার ৩৪ নং আয়াতে স্ত্রীকে পেটানোর নির্দেশনাও দিয়েছেন। সূরা আন নিসার এ দুটো আয়াত থেকে বোঝা যায়, মুসলিম পুরুষদের ঈশ্বর আল্লাহর দৃষ্টিতে স্ত্রীকে প্রহার করা স্ত্রীর সাথে সদ্ব্যবহারের পরিপন্থী নয়। আসলে পুরুষদের ঈশ্বর পুরুষদের পক্ষেই তো কথা বলবে, তাই নয় কি? 

কোনো সমাজের দুটো শ্রেণির একটিকে যখন বাড়তি কোনো সুবিধা দেয়া হয় তখন এক বিপুল সংখ্যক ক্রিমিনাল শ্রেণী তৈরি হয়। হিন্দু ধর্মের ব্রাহ্মণ্যবাদ যেমন ব্রাহ্মণদের বিপুল সুবিধা দিয়ে বিরাট সংখ্যক দানব সোসাইটি তৈরি করেছে ঠিক তেমনই ইসলামের আবিষ্কারক মোহাম্মদ প্রতিটি মুসলিম পুরুষকে মুসলিম নারীদের উপর বিপুল ক্ষমতা প্রদান করে বিরাট সংখ্যক জুলুমবাজ পিতা, ভাই এবং বর তৈরি করেছে। দানব সোসাইটি তৈরি করার সুবিধা হচ্ছে, এটি সমাজের প্রতিটি স্তরে স্তরে ছড়িয়ে যায় অতি দ্রুততার সঙ্গে। ছড়িয়ে পড়া এ বৈষম্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো খুবই কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ, বৈষম্যের মাধ্যমে সুবিধাপ্রাপ্ত গোষ্ঠী বৈষম্য জিইয়ে রাখার পক্ষে কূটকৌশল চালাতে থাকে; প্রয়োজনে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়। বৈষম্যের উপর ভিত্তি করে রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক ও বৌদ্ধিক স্বার্থের সৌধ রচিত হয় যা সহজে হেলানো যায় না। এভাবেই সভ্যতা পেয়ে যায় বিপুল সংখ্যক দানব শ্রেণী। আর এই দানবদের দানবতার কাছে মানবতা বারবার পরাজিত হয়। এমনকি কোনো শাসক যদি এই দানবদের দানবতার বিরুদ্ধে কখনো দাঁড়িয়ে যায় তবে দানবদের সংখ্যার সামনে শাসকও টিকে থাকতে পারে না। আর তাই, হাজার বছর ধরে ভারতে চলেছে ব্রাহ্মণ্যবাদীদের নিষ্ঠুরতা। আজও ভারতে চলছে ব্রাহ্মণ্যবাদীদের তাণ্ডব। রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ আইন এ তাণ্ডব থামাতে পারছে না। একইভাবে দুনিয়াজুড়ে মুসলিম পুরুষ কর্তৃক তাদের নারীদের উপর চলমান বৈষম্য ও নিপীড়নকে দুনিয়ার সভ্য সমাজ ও সমাজতাত্ত্বিকগণ কমাতে পারছেন না। বরং প্রতিটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ও সমাজ ক্রমশঃ ডুবে যাচ্ছে পুরুষতান্ত্রিকতার নর্দমার জলে। বাধ্য হয়ে, মুনাফার আশায় কিংবা ভোটের লোভে সভ্য লোকেরা পর্যন্ত মুসলিম পুরুষদের পুরুষালি শ্রেষ্ঠত্বের কাছে মাথা নোয়ায়। অনেক সময়ই এই পুরুষতান্ত্রিকতার পালে বরং হাওয়া দেয়। বহুজাতিক কোম্পানিগুলো পুরুষতান্ত্রিকতার পালে হাওয়া দেয় বলেই ফেয়ার অ্যান্ড লাভলির রং ফর্সাকারী ক্রিম তৈরি হয়। মেয়েদের সাজুগুজু করার কতোকিছুই আবিষ্কার হয়! পণ্যের প্রমোশনে সাজুগুজু করা মেয়েদের কাজে লাগানো হয়।

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। নারীর অধিকার রক্ষার্থে ১৯৭৫ সালে জাতিসংঘ প্রতি বছরের ৮ মার্চকে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দেয়। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নারী দিবস ঘটা করে পালিত হচ্ছে। হিজাব পরে একদল মুসলিম নারীও হাস্যকরভাবে নারী দিবস পালন করছে প্রতি বছর। হিজাব পরে নারীর অধিকারের পক্ষে কথা বলা আর বন্দুক হাতে নিয়ে শান্তির পক্ষে কথা বলা সমানভাবেই হাস্যকর। মুসলিম সমাজের গবেষক, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট, সরকারি আধিকারিকেরা নারী দিবসে নারীর অধিকারের প্রশ্নে এদিন সোচ্চার ভাব দেখায় বেশ। অনেকে আবার পুরুষের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় দাঁড় করান। যারা পুরুষের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় তৈরি করেন তাঁরাই আবার পুরুষতান্ত্রিকতার দানব মোহাম্মদের বিরুদ্ধে টুঁ শব্দটিও করেন না! সব গবেষক, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট ও সরকারি আধিকারিকেরা নারীর অধিকারের প্রশ্নে যতোই অনড় হোক, একটি জায়গায় গিয়ে সবার সবকিছু নড়বড়ে হয়ে যায়। আর তা হচ্ছে, পুরুষতান্ত্রিকতার দৈত্য মোহাম্মদের সম্পর্কে সবাই এই দিন চুপ থাকবে। কারণ, ঐ পুরুষতান্ত্রিক গবেষক, পুরুষতান্ত্রিক সেলেব্রিটি, পুরুষতান্ত্রিক রাজনীতিবিদ ও পুরুষতান্ত্রিক ‘হিজাবি লেডি’ সম্মিলিতভাবে পুরুষতন্ত্রের প্রবক্তা তৈরি করার জন্যই তাদের টাকাপয়সা ও ক্ষমতা খরচ করে। এরা যে মাদ্রাসা বানায় সেখানে কী শেখানো হয়? সেখানে কি নারীর প্রতি বিদ্বেষ ও অমুসলিমদের প্রতি ঘৃণা ছাড়া আর কিছু শেখানো হয়? কোনোদিন কোনো হুজুরকে পাওয়া গেছে যে নারী-পুরুষের সমানাধিকারে বিশ্বাস করে? পাওয়া যায়নি, পাওয়া যাবেও না। যদিও পাওয়া যায় তবে সে হুজুর নাস্তিক হুজুর। আর নাস্তিক হুজুরকে হত্যা করা ইসলামের নির্দেশ, আর তাই আমি আজ দেশছাড়া। ঐ রাজনীতিবিদ, গবেষক, সেলেব্রিটি ও ব্যবসায়ীরা আমাকে মাদ্রাসার কারাগারে ঢুকিয়ে শুধুমাত্র নারীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ আর অমুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছাড়া অন্য কিছুই শেখায়নি। যখন চোখ মেলে তাকালাম, যখন আমাকে মাদ্রাসার কারাগারে শিক্ষার নামে দেয়া কুশিক্ষার গোমর ধরতে পারলাম, যখন মুখ খুলতে শুরু করলাম তখন ঐ রাজনীতিবিদ, গবেষক, সেলিব্রিটিরা আমাকে গোপনেই মেরে ফেলতে চাইল। প্রাণ বাঁচাতে দেশত্যাগ না করলে বহুদিন আগেই আমি নিহত হতাম। বহু মানুষকে এভাবে খুন করাও হয়েছে। অতএব ঐসব ভন্ড, বদমায়েশ, ইতরদের কথায় কান দেবেন না। নারী দিবসে তাদের লেখাও পড়বেন না। তাদের আলোচনাও শুনবেন না। বাংলাদেশে নারী পুরুষের সমানাধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র বাধা হচ্ছে সৌদি আরব থেকে ধার করে আনা মোহাম্মদের বানানো কোরআন। কোরআনের বিরুদ্ধে, মোহাম্মদের বিরুদ্ধে কথা না বলে কেবল তাত্ত্বিক আলোচনা করার কোনো মূল্য নেই। এসব ফাতরামির দ্বারা জাতির নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধ হবে না।

কুয়ার মধ্যে যদি কুকুর মরে পচে যায় তবে কুয়ার পানি পরিষ্কারের মূলশর্ত হচ্ছে কুয়া থেকে কুকুরের পচা দেহটা সরিয়ে ফেলা, এরপর কুয়া পরিষ্কার করা। কুয়ার মধ্যে কুকুরের পচা দেহটা রেখে লক্ষ লক্ষ গ্যালন পানি ঢাললেও কি কুয়া পরিষ্কার হবে? হবে না। বাংলাদেশের নারী ও পুরুষের মধ্যে সমানাধিকার নিশ্চিত করতে হলে আগে রাষ্ট্র ও সংবিধান থেকে মোহাম্মদ ও তাঁর বানানো কোরআনকে সরাতে হবে। না সরালে নারীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ও সহিংসতা বন্ধ হবে না। এতো দিবস উদযাপিত হয়, এতো আন্দোলন বিক্ষোভ হয়, এতো চিৎকার হয় তবু নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধ হয় না। ধর্ষণ বন্ধ হয় না। নারী নির্যাতন বন্ধ হয় না। হবেই বা কেনো, মরা কুকুর তো সেই কুয়া থেকে কেউ সরায় না! সরানোর কথা কেউ বললে তাঁকে হয় খুন হতে হয়, নয় জেলে যেতে হয়, নয় দেশান্তরী হতে হয়! 

আমি জানিনা, কবে থামবে নারীর প্রতি বিদ্বেষ ও সহিংসতা। যে দেশে, যে পৃথিবীতে লাখ লাখ মাদ্রাসা তৈরি করা হয় যেখানে শুধুমাত্র নারীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ শিক্ষা দেয়া হয়, কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয় শুধুমাত্র নারীবিদ্বেষ শেখানোর জন্য সেই দেশে, সেই পৃথিবীতে আমি কিভাবে নারী পুরুষের সমানাধিকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আশা করতে পারি? সৌদি আরব থেকে হাওলাত করে আনা পুরুষতান্ত্রিকতার কেতাবের অমানবিক বক্তব্য সমূহের বিরুদ্ধে কথা না বলে শুধুমাত্র বাংলাদেশের নারী নির্যাতক ও ধর্ষকদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করলে কোনো লাভ হবে না। সৌদি আরব থেকে হাওলাত করে আনা ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের দর্শন রাষ্ট্র থেকে আলাদা না করলে বাংলাদেশের সমস্ত পুরুষকে মেরে ফেললেও তাঁরা ধর্ষকই থাকবে, তাঁরা নারী নির্যাতকই থাকবে। ধর্ষণের ম্যানুয়াল কোরআন নিষিদ্ধ না করলে কোন পুরুষের মগজ থেকে ধর্ষকামিতা ও নারীর মগজ থেকে মর্ষকামিতা আপনি দূর করতে পারবেন না। ধর্ষণের আধিক্যে অতিষ্ঠ হয়ে বাংলাদেশের পুলিশ বেশকিছু ধর্ষককে ক্রসফায়ারে দিয়েছে। কি, তাতে ধর্ষণ বন্ধ হয়ে গেছে? নির্যাতন থেমে গেছে? 

ওহে রাষ্ট্র! আপনার পুলিশ যখন ধর্ষককে ক্রসফায়ারে দেয় তখনও সে ‘বেঁচে থাকলে ইনশাআল্লাহ আবারো ধর্ষণ করিবো’ মনেমনে ইচ্ছা রাখে। আপনার পুলিশ যখন জিহাদিকে ফাঁসির দড়িতে লটকায় তখনো সে ‘বেঁচে থাকলে কাফেরদের মেয়েদের গনিমতের মাল হিসেবে ভোগ করিবে ইনশাআল্লাহ’ এমন আশা রাখে। আপনার পুলিশ যখন দুর্নীতিবাজদের গ্রেপ্তার করে তখনো সে ‘জেল থেকে বেরিয়ে ইনশাআল্লাহ এতোগুলা মসজিদ-মাদ্রাসা বানাইবো, এবং বাংলাদেশের এত এত কোটি লুট করিবো’ এমন বাসনা মনে পুষে রাখে। এই সব অন্যায়, অবিচার, ধর্ষণ ও বর্বরতার মূলে রয়েছে সৌদি আরব থেকে হাওলাত করে আনা রাজনৈতিক পুরুষতান্ত্রিকতা, যার অপর নাম ইসলাম। 

ওহে নারী! হিজাব পরার আগে দয়া করে কেতাব খুলে দেখুন, আপনার সম্পর্কে কোরআনে কী বলা আছে। দয়া করে কেতাব খুলে দেখুন, মোহাম্মদ আপনার সম্পর্কে কি বলেছে। 

ওহে গবেষক (অথবা গবেট)! যা বলার সোজাসাপ্টা বলুন। কেতাব খুলে (লুঙ্গি নয়, কেতাব) পড়ুন, তারপর লিখুন। যে মাদ্রাসা বানাচ্ছেন সে মাদ্রাসায় কী পড়ানো হয় কা ঘেঁটে দেখবেন না


  • ৫৬০ বার পড়া হয়েছে

পূর্ববর্তী লেখা পরবর্তী লেখা

বিঃদ্রঃ নারী'তে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার বিষয়বস্তু, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যসমুহ সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব। প্রকাশিত সকল লেখার বিষয়বস্তু ও মতামত নারী'র সম্পাদকীয় নীতির সাথে সম্পুর্নভাবে মিলে যাবে এমন নয়। লেখকের কোনো লেখার বিষয়বস্তু বা বক্তব্যের যথার্থতার আইনগত বা অন্যকোনো দায় নারী কর্তৃপক্ষ বহন করতে বাধ্য নয়। নারীতে প্রকাশিত কোনো লেখা বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রকাশ কপিরাইট আইনের লংঘন বলে গণ্য হবে।


মন্তব্য টি

ফেসবুকে আমরা