কবিদের পরিচয় কী হওয়া উচিৎ : প্রসঙ্গ লৈঙ্গিক দ্বন্দ্ব

রবিবার, মার্চ ৪, ২০১৮ ৫:২৭ PM | বিভাগ : সাহিত্য


বর্তমান সময়ের তরুণ কবিদের সাথে ছোটখাট পরিচিতির কারণেই কিনা কে জানে, বাতাসে ভেসে বেড়ানো একটা গুঞ্জন জোরেশোরে কানে আসছে। গুজবের বিষয়বস্তু এক ধরনের ক্লাসিক লেভেলের - পুরুষ কবি ও নারী/মহিলা কবিদের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব, যার বেজ হিসাবে ধরা হয়েছে নারী কবিদের গ্রহণযোগ্যতা ও এই পরিবেশে চলমান লৈঙ্গিক বৈষম্য। এটা নিয়ে পরিচিত-অপরিচিত বেশ কয়েকজন পুরুষ ও নারী কবির মধ্যে মতান্তর সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের অনেকেই আমার চেয়ে বয়স্ক। তাই নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে সবার উপরে পূর্ণ সম্মান রেখেই কিছু কথা বলতে চাই।

যতদূর জানি, মতান্তর শুরু হয় এভাবে- নারী কবিরা পাঠকমহল, প্রকাশক ও অন্যান্য কবিদের কাছে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। নারী বলে তাঁদের লেখার অবমূল্যায়ন হয়, এরকম অভিযোগ ছিলো। অর্থাৎ টেক্সট অথবা ভাষা শক্তিশালী হলেও তাঁরা যথেষ্ট রেসপন্স পান না, শুধুমাত্র নারী পরিচয়ের কারণে। লৈঙ্গিক বৈষম্যের ব্যাপারটা তাঁরা ভালোভাবেই ফিল করেন। স্বাভাবিকভাবেই এটা তাঁরা ভালোভাবে নেন নি; এর বিপক্ষেই তাঁরা কথা বলেছেন।

আবার, পুরুষ কবিদের বক্তব্য ছিলো - তাঁরা এরকম কিছু হতে পারে, এটাতে একমত পোষন করেন না। কারণ হিসাবে তাঁরা জোর দেন কাজ, অর্থাৎ টেক্সটের উপরে। তাঁদের সরলীকৃত বক্তব্য -টেক্সটে জেন্ডার কোনো ফ্যাক্ট নয়। পাঠক গ্রহণ করতে পারলে ক্রেডিট লেখকের, তাঁর লৈঙ্গিক পরিচয়ের নয়। এখানে নারী-পুরুষ এই বিভাজন হওয়ার সম্ভাবনা তাঁরা অস্বীকার করেন। এভাবেই মতান্তর ঘনীভূত হতে থাকে; যার ফলাফল ভালো দিকে যায় নি।

আমার নিজের কথায় আসি। নারী-পুরুষ সব কবিদের কাছেই আমার প্রশ্ন- কবিতা বলতে আপনি কী বোঝেন? আর কেনো কবিতা লেখেন?

কবিতার ক্লাসিক সংজ্ঞা অনেক আগেই ওর্ডসওয়ার্থ দিয়ে গিয়েছেন। সেখানে কবিতার উৎসমূল বলা হয়েছে মানুষের হৃদয় বা মনকে। লক্ষ্য করবেন, বলা হয় নি পুরুষ বা নারীর হৃদয়; বলা হয়েছে মানুষের হৃদয়ের কথা। কারণ হৃদয় সব মানুষের থাকে। আর অভিঘাত জিনিসটা নারী-পুরুষ বিচার করে আসে না। আবেগের তাড়না সব মানুষেরই থাকে। সোজা বুদ্ধি দিয়েই বোঝা যায় - নারীদের কবিতা লেখার পথে কোনো রকম বাউন্ডারি বা ব্রাত্যতা এখানে রাখা হয় নি।

কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এই বৈষম্যের ব্যাপারটা আসে; প্রকটভাবেই আসে। কেনো আসে, এটা বুঝতে আমাদের হালকা ইতিহাস ঘাঁটতে হবে। কবিতার আঁটসাঁট বুননের প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয় ইউরোপে। আমরা স্ট্যান্ডার্ড হিসাবে ইংল্যান্ডকে ধরতে পারি। সেই বেসিসে কবিতা লেখার যে দীর্ঘ যাত্রা, সেটার পথে ছেদ আসে মোটাদাগে দুইবার। একবার রিস্টোরেশন পিরিয়ডের সময়ে, আরেকবার শিল্প বিপ্লবের সময়ে। তবে ছেদ পড়লেও এই দুইটা আবহ তৈরি করে দিয়ে যায় ইংরেজি কবিতার জন্য নতুন দুইটা যাত্রাপথ। প্রটেস্টাণ্ট আর ক্যাথলিকদের রশি টানাটানির সময়ে ধর্মীয় আধ্যাত্মিকতা কবিতাকে গ্রাস করে ভালভাবেই। জন্ম নেয় মেটাফিজিক্যাল পোয়েট্রির ধারা। এখন কথা হচ্ছে- এই ধারায় কেনো নারীরা শামিল হতে পারেন নি। স্বাভাবিক না? মেটাফিজিক্যাল কবিতার আঁতুড়ঘর দুইটা। এক -চার্চ, দুই - রাজদরবার। ট্রাডিশনালি এই দুই জায়গায় নারীদের সম্পৃক্ততা ছিলো কম। তাই রিস্টোরেশন পিরিয়ডে নামজাদা পুরুষ কবি অনেক থাকলেও নারী কবিদের সংখ্যা আঙুল গুনেই বলা যাবে; তাদের লেখা প্রকাশিতও হয়েছে কম। এই যে ট্রাক মিস করা, এটা নারী কবিদের জন্য শাপেবর হয়েই আসতে পারতো। আসে নি। কারণ আধ্যাত্মিকতা জিনিসটা সমাজই অনেকটা রিজার্ভ করে রেখেছে পুরুষদের জন্য। মানুষ মেটাফিজিক্যাল ধারার কবিদের সাধুসন্তদের দৃষ্টিতে দেখেছে। তাঁদের কবিতায় পবিত্রতার ছাপ খুঁজে পেয়েছে। এই পবিত্রতা আপামর মানুষ নারীদের মধ্যে দেখতে প্রস্তুত ছিলো না। তাই ওই সময়টা নারী কবিদের জন্য বন্ধ্যাকাল হিসাবেই ধরা হয়।

এরপরে আসে শিল্প বিপ্লবের কথা। এর শেষ পয়েন্টটা পরে কাজে লাগবে। মনে রাখবেন। ঘটনা খুব সরল। ব্যাপক কলকারখানা, ব্যাপক শ্রমিক, ব্যাপক বিচ্ছিন্নতাবোধ। এই ঘটনা রাস্তা খুলে দেয় পরবর্তীকালের রোমান্টিসিজম, এমনকি মডার্নিজমেরও। নারীরা শ্রমকাজে অংশগ্রহণ করে নি, এমন না। কিন্তু শতাংশের হিসাবে সেটা নগণ্যই হবে। যখন পুরুষেরা কলে কারখানায় শ্রম বিক্রি করে রুটি আর বাস্তবতার কষাঘাত কিনে আনছিলো, তখন ব্যালেন্স রাখার জন্যেই নারীদের ঘরের দায়িত্ব নিতে হয়। এখন একজন ঘরের দিকে মুখ ফেরানো নারীর লেখা, আর একজন রাস্তায়, কারখানায় বা বন্দরে কাজ খুঁজে ফেরা পুরুষ, কার লেখায় কী কন্টেন্ট থাকতে পারে, সে অনুমান আপনারাই করতে পারবেন। কবিতার টেক্সট আর কন্টেন্ট আসে অভিজ্ঞতার ভাঙা অংশের রূপ নিয়ে। সেখানে কিছুটা হলেও পুরুষের অভিজ্ঞতার ঝুলি বেশি ভারি ছিলো; অন্তত তখন পর্যন্ত।

এখন আসা যাক নারীসুলভ ভাষা নিয়ে। সাফ কথা, নারীসুলভ ভাষা বলতে কিছুর অস্তিত্ব আছে। এটা একজন নারী কবির এমন এক ধরনের স্কিল, যে জায়গায় পুরুষ পিছিয়ে পড়বে। ভাষাও কিন্তু এক ধরনের অনুবাদ, অনুভূতির অসম্পূর্ণ অনুবাদ। একজন নারীর নিজস্ব অনুভূতির এমন কিছু বহিঃপ্রকাশ থাকে, যেটা পুরুষের কাছে দুর্বোধ্য। উদাহরণ দিলে বুঝবেন। একজন নারী হাজার পুরুষের মধ্যেও তার শরীরের উপরে বক্র নজরে তাকানো পুরুষটিকে ট্রেস করতে পারেন। এই ক্ষমতা লাখে একজন পুরুষেরও নেই। অন্তত তার দিকে বক্র না হোক, ভালোবাসার চোখে তাকানো নারীটিকে লক্ষ্য না করা তার পক্ষে খুবই স্বাভাবিক। বর্তমান সময়ে একজন পুরুষ যেসব পারিপার্শ্বিকে থাকতে পারেন, প্রায় সব জায়গাতেই একজন নারীর একসেস আছে। তাই অভিজ্ঞতা জিনিসটা আর পুরুষের একচেটিয়া নেই। আমি অন্যভাবে বলবো -পুরুষসুলভ ভাষা বলে কিছু নেই। কারণ, ফার্স্ট পারসন ন্যারেটিভে অনেক নারী কবিই পুরুষের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন (এমিলি ডিকিনসন, জুলি কার্টার প্রমুখ)। কিন্তু একজন নারীর অভিজ্ঞতা নিখুঁতভাবে একজন পুরুষ কবি বর্ণনা করেছেন, এরকম আমি খুব কমই দেখেছি। পশ্চিমবাংলার শুভ দাশগুপ্ত নামে একজন কবির কথা মনে পড়ছে। তাঁর সাড়া জাগানো কবিতার শিরোনাম ছিলো 'আমি সেই মেয়ে'।

হয়তো প্রসঙ্গ থেকে দূরে সরে গিয়েছি। এখানে, মানে বাংলা ভাষার গড়পারতা পাঠকদের আর দশটা ভাষার পাঠকদের সাথে মেলানো কঠিন। বিদেশী, বিশেষ করে মার্কিন বা ইউরোপীয় দেশগুলো যেটা হয়- জার্নির সময়, অপেক্ষা করার সময়, অবসরে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই বই পড়ে। কী বই পড়ে, সেটা বড় ব্যাপার নয়। ঢাবি ক্যাম্পাসে এক লেকচারের সময়ে তরুণ লেখক কিঙ্কর আহসান হাহাকারের সুরেই বলেছিলেন যে এদেশের মানুষ বই পড়ুক। এখানে বই পড়ার চল তো এমনিতেই কম, কবিতা তার ভিতরে আরও বেশি অবহেলিত। কবিতা পড়ার ব্যাপ্তি এতটাই কম, যে তাদের কাছে নারী কবিদের বই যাবার আগেই তারা একটা অনুমান করে বসেন ওই কবিতার টেক্সট আর ভাষা নিয়ে। এই জাজমেন্টাল দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই এই সমস্যার সূত্রপাত। তারা আন্দাজ নিয়েই থাকেন -একজন নারী কবির কবিতার ভাষা হবে মৃদু, ফুল-ঝর্না-পাখি এসব সাধারণ অনুষঙ্গ নিয়ে। সেখানে সাহিত্যের উপাদান বেশি পাওয়া যাবে না। তাই ওই কবিতাগুলো তাদের কাছে পূর্ণাঙ্গ কবিতা হয়েই উঠবে না।

এদেশে সাহিত্য সমালোচকদের সংখ্যাও হাতে গোনা। তাই একটি ভালো বই, ভালো লেখার আলোচনা-সমালোচনা একজন লেখক ৯০% ক্ষেত্রে আশা করতে পারেন না। এটা সেই দারিদ্রের দুষ্টচক্রের মতো হয়ে গিয়েছে। ভালো লেখা কম, ভালো লেখক কম, তাই ভালো পাঠক কম, আলোচনার জায়গাও সংকুচিত।

আমি একটা ফ্যাক্টর স্মরণ করিয়ে দেবো। পুরুষেরা দাবি করতে পারেন - সারাদিনের কাজকর্মের পরে তারা লেখালেখি করার সামান্য সুযোগ পান। এখানে নারীদের জীবনযাপনকে একরকমের উহ্যভাবে অবমাননা করা হয়। পুরুষদের বলবো -একজন নারীর দৈনন্দিন পরিশ্রমের হিসাব করে দেখেছেন কোনদিন?

ক্লাসিক পর্যায়ের অনেক পুরুষ কবির নাম আপনারা টপাটপ আউড়ে যেতে পারবেন। কিন্তু নারী কবির বেলায়? জানেন, টানা দুইবার প্রথম আলো প্রবর্তিত পাণ্ডুলিপি পুরস্কার পেয়েছেন দুইজন নারী কবি? বলতে পারেন - একটা সামান্য পুরস্কারে কিছুই প্রমাণ হয় না। তাহলে বাইরের দেশে চোখ দিন। পাশের দেশ ভারতে কেতকী কুশারী ডাইসন, কৃষ্ণা বসু, দেবারতি মিত্র প্রমুখ নারী কবিদের নাম বলা যায়। তাঁদের কাজের কোনদিন অবমূল্যায়ন হয়েছে, এরকম শুনি নি। কবিদের জন্য প্রশ্ন - ইংরেজি ভাষায় বর্তমান (শূন্য দশকের পরে) কবিতার নেতৃত্ব কাদের হাতে, জানেন? ইয়েস, নারীদের হাতে। জুলি কার্টার, মার্গারেট এন গ্রিফিথ, এন গ্রে, এভান বোল্যান্ড, রোজ ক্যালাহার, জেনিফার রীজার প্রমুখ নারী কবিদের নাম পৃথিবীজুড়ে স্বীকৃত। তাঁদের ব্যাপারে তো বৈষম্য নেই। তাহলে এদেশে কেনো?

মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন আনা দরকার। প্যারাডক্সিকাল ব্যাপার; কারণ সেই দায়িত্বটাও কিন্তু কবিদেরই। কালে কবিতার আঘাতেই একের পর এক অন্যায়, অবিচার, শোষণ আর জুলুমের ধ্বজাধারীরা নিশ্চিহ্ন হয়েছে। এক হিসাবে বৈষম্য দূর করার দায় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব কবির উপরেই বর্তায়।

বাংলা ভাষায় নারী কবিদের নিগৃহীত হওয়ার একটা বড় কারণ দাঁড়ায় তাদের ক্রমশ এক ধরনের প্যাটার্ন ও টোনের ভিতরে আবদ্ধ হয়ে যাওয়া। বর্তমানে নারীবাদ বা ফেমিনিজম তত্ত্ব নারী কবিদের ভাষা ও মস্তিষ্কের অনেকটাই গ্রাস করেছে। দুইটা পয়েন্ট দেবো। আমার বিভাগের এক বান্ধবী অসাধারণ কবিতা লিখতো। ব্যাকগ্রাউন্ড ইংরেজি মাধ্যম হওয়ায় সে ইংরেজিতে লিখে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতো। একটা কবিতা 'Because My Vagina Spoke' পড়ে একজন পুরুষ হিসাবে আমার অস্তিত্ব কেঁপে উঠেছিলো।  এখন সমস্যা দাঁড়ায় -ফেমিনিজমের প্রকাশের যে গতানুগতিক ধারা, সেখান থেকে সে বের হতে পারে নি। তার ভাষা অত্যন্ত শানিত হলেও লেখায় বহুমাত্রিকতা জিনিসটা আস্তে আস্তে ক্ষীয়মাণ হয়ে এসেছিলো। অনেক মহিলা কবিই বৈশ্বিক ফেমিনিজমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কবিতার চিত্রকল্পে মাংস, ক্ষুধা, রতিক্রিয়া ইত্যাদি টার্ম ব্যবহার করে বিষয়টাকে পাঠকের কাছে নিজেরাই ক্লিশে করে ফেলেন। কারণ কবিতার নিয়মই হচ্ছে পরিবর্তিত হওয়া, হোক ভাষায় কিংবা বিষয়ে। এখানে একধরনের হীনমন্যতা কাজ করতে পারে বলেও আমার মনে হয়েছে। সব পুরুষ কবিই পুরুষতান্ত্রিক রাস্তাতেই চিন্তা করেন- এরকমটা নারী কবিরা মনে করলে ভুল করবেন। নারীবাদের পক্ষে আওয়াজ তোলার সে সংগ্রাম, সেই সংগ্রামে পুরুষ কবিরাও যে অংশীদার হতে পারেন, সহযোদ্ধা হতে পারেন- এটা অনেক নারী কবিই বিশ্বাস করেন না।

এখন নারী কবিদের সামনেও সময় এসেছে পুরুষ কবিদের প্রতিপক্ষ না ধরে মিত্রপক্ষ হিসাবে তাদের পাশে থেকে আওয়াজ তোলার একটা সুযোগ দেওয়ার। আর পুরুষ কবিদেরও উচিৎ নারী কবিদের অবদান স্বীকার করে নিয়ে সামগ্রিক কবিসত্ত্বার মহত্তর একীভূত মিছিলে নামার। কবি মাত্রই কবি। কবিদের নারী-পুরুষ পরিচয়ের ট্যাগ না দেওয়াই সমীচীন। তাই আমি দাবি করবো- 'নারী কবি' কিংবা 'মহিলা কবি' এই টার্মগুলো অবলুপ্ত করা হোক। কোনো লেখায়, কোনো বক্তৃতায়, কোনো বইয়ে যেন মহিলা কবি, মহিলা লেখক, মহিলা ডাক্তার, মহিলা বিজ্ঞানী, মহিলা ব্লা ব্লা ব্লা এসব ভাষা ব্যবহার না করা হয়।

আমাদের পরিচয় হোক- আমরা মানুষ। কবিদের একমাত্র পরিচয় হোক- তারা কবি। 


  • ৭৭২ বার পড়া হয়েছে

পূর্ববর্তী লেখা পরবর্তী লেখা

বিঃদ্রঃ নারী'তে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার বিষয়বস্তু, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যসমুহ সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব। প্রকাশিত সকল লেখার বিষয়বস্তু ও মতামত নারী'র সম্পাদকীয় নীতির সাথে সম্পুর্নভাবে মিলে যাবে এমন নয়। লেখকের কোনো লেখার বিষয়বস্তু বা বক্তব্যের যথার্থতার আইনগত বা অন্যকোনো দায় নারী কর্তৃপক্ষ বহন করতে বাধ্য নয়। নারীতে প্রকাশিত কোনো লেখা বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রকাশ কপিরাইট আইনের লংঘন বলে গণ্য হবে।


মন্তব্য টি

লেখক পরিচিতি

জয়ন্ত বিশ্বাস

ইংরেজি বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ হল

ফেসবুকে আমরা