পাহাড়কে পাহাড়িদের চোখে দেখুন, সমতলের চোখে নয়

রবিবার, অক্টোবর ২৯, ২০১৭ ৩:৪০ PM | বিভাগ : প্রতিক্রিয়া


সমতলের নারীবাদীদের পোষ্টে দেখলাম পাহাড়ি নারীদের অধিকার নিয়ে চিন্তা করতে। আপু/দিদিমুনিরা মেহেরবানি করে বলছি আমাদের পাহাড়ের নারীদের নিয়ে চিন্তিত হবার নেই, নিজেদের সম্প্রদায়ের নারীদের নিয়ে চিন্তা করুন। পাহাড়ের নারীরা যুগে যুগে স্বাধীন ছিল। পাহাড়ে কখনোই শিরোনাম হয় না যে একজন পাহাড়ির দ্বারা পাহাড়ি মেয়ে ধর্ষিতা হয়েছে। ধর্ষন শব্দের সাথে পাহাড়িরা কোন যুগে পরিচিত ছিল না। আমাদের সমাজে কখনো শোনা যায়নি এক বাবা তাঁর মেয়েকে হত্যা করেছে মেয়ে হয়ে জন্মানোর কারণে। কোন স্ত্রীকে স্বামীর কাছ থেকে অত্যাচার সহ্য করতে হয়নি মেয়ে সন্তান জন্ম দেওয়ার কারণে। পাহাড়ের সমাজগুলোতে ঘুরে দেখেন, দেখবেন প্রতিটি মা-বাবার কাছে ছেলে সন্তানের চেয়ে মেয়ে সন্তানরা বেশি আদরের। পাহাড়ের নারীরা অনেক স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করে থাকে আমাদের মাঝে। বলছি না পুরোপুরি স্বাধীন, কিন্তু বাঙালি নারীদের থেকে হাজার গুনে স্বাধীন নিয়ে আছে পাহাড়ের নারীরা।

আপনারা দাবী করে থাকেন ,একজন পাহাড়ি মেয়ে কেন বাঙালি ছেলের সাথে প্রেম করতে পারবে না ! এই প্রশ্নটা করার আগে কিন্তু আপনাদের উচিত নিজেকে একজন পাহাড়ি হিসেবে ভেবে প্রশ্নটা করা, অর্থাৎ একজন বাঙালির চিন্তা থেকে নয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক সমস্যাটা কয়েক দিনের সমস্যা নয়, এটা কয়েক যুগ ধরে চলে আসা সমস্যা। পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের রক্ষা করার জন্য মানবিক ছিল শুধুমাত্র ব্রিটিশ শাসন ব্যবস্থা।তারা “CHT Regulation of 1900” এর মাধ্যমে পাহাড়িদের রক্ষা করতে চেয়েছিল।

পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্রিটিশ শাসনামল আগেই থেকে স্বাধীন ছিল। এই স্বাধীন অঞ্চলকে ১৮৬০ সালে বৃটিশরা নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়। বৃটিশ শাসনামলে পার্বত্য চট্টগ্রামকে চিহ্নিত করা হত “এক্সক্লুডেড এরিয়া” বা বহির্ভুত এলাকা হিসেবে। পাহাড়িদের রক্ষা করার জন্য বৃটিশ শাসন একটি কমিশন গঠন করে দেন, যেটির নাম- “CHT Regulation of 1900”। এই কমিশনের কার্যকারিতা হল পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী জুম্মদের বহিরাগত অধিবাসীদের থেকে অর্থনৈতিক শোষন থেকে মুক্ত রাখা, সামাজিক-সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক বিধান, ভূমির অধিকার হবে এই অঞ্চলের প্রথাগত আইন অনুসারে। এই কমিশন গঠন করে হয়েছিল মূলত বহিরাগতদের হাত থেকে জুম্ম আদিবাসীদের ভুমি অধিকার রক্ষা করা। পার্বত্য চট্টগ্রামের ভিতর বহিরাগতদের বন্দোবস্তের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ,এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরে থেকে এসে পার্বত্য চট্টগ্রামের ভিতর বসতি স্থাপন করায় নিষেধাজ্ঞা ছিল। এর থেকে বোঝা যায় বৃটিশদের শাসন ছিল অনেক মানবিক অন্যান্য শাসন কর্তাদের থেকে।

বৃটিশ শাসনের শেষ হল, দেশ বিভক্ত হল দ্বিজাতি ভিত্তিতে, সেখানে প্রতারিত করা হল পাহাড়িদের। এর পরে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম হল, জন্মের সাথে সাথে শুরু হল পাহাড়িদের ওপর অত্যাচার,নির্যাতন। গণহত্যা করা হল গুনে গুনে তের'টি, শরনার্থী হয়ে জীবন বাঁচাতে ভারতের কাছে আশ্রয় নিলো পাহাড়িরা। কী করেনি বাঙালিরা পাহাড়িদের ওপর! কতো মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে পাহাড়ে পাঠিয়ে দিয়েছে লাশ বানিয়ে। এতো কিছুর পরেও আমরা কিভাবে বাঙালিদের সামাজিকভাবে আত্নীয়তা গড়ে তুলি।

এবার আছি মূল কথায়- নারীবাদ কী পাহাড়ের মানুষেরাও বুঝে ,এবং যথেষ্ট মুল্যায়নও করে। পাহাড়ের রাজনৈতিক দলগুলোর মাধ্যমেও নারীদের যথেষ্ট সচেতন করা হয়ে থাকে। তাই পাহাড়ে নারী পুরুষের শিক্ষার অনুপাতটা সমানে সমান। রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও নারীরা ভুমিকা রাখছে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও নারীদের অগ্রগামী লক্ষ্য করা যায়। সবচেয়ে বড়ো কথা হল পাহাড়ের নারীরা খুব কর্মঠ, এবং সমাজ থেকেও অবাধ স্বাধীনতা পেয়ে থাকে নিজের স্বাধীনতা অনুযায়ী কাজ করার।

নারীদের ক্ষেত্রে সবদিক দিয়ে উদার হলেও পাহাড়ের পুরুষরা বা সামাজিক আইন অন্য জাতে বিয়ে করাকে মেনে নেয় না। এক্ষেত্রে নারীদের ওপর খুব কট্টরপন্থী। এই কট্টরপন্থী হওয়ার পেছনে যথেষ্ট যুক্তিগত কারণ আছে।


প্রথমত, আমাদের জনসংখ্যা খুব কম, এখানে আমি শুধুমাত্র চাকমাদের কথা তুলে ধরছি, যেহেতু আমি চাকমা সম্প্রদায় থেকে। পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমাদের জনসংখ্যা মোটে মাত্র পাঁচ কি ছয় লক্ষ হবে। এই অল্প জনসংখ্যা দিয়ে আমাদের জাতির অস্তিত্ব ঠিকে রাখা খুব প্রশ্নাতীত হয়ে দাঁড়িয়েছে। খেয়াল করে দেখবেন আমরা প্রতিদিন যে চাকমা ভাষায় কথা বলি সেখানে প্রায়ই ২৫% ভাগ বাঙালি ভাষা মিশ্রিত থাকে। এভাবে চলতে থাকলে আমার মনে হয় না আমাদের মাতৃভাষাটা আরো এক'শ বছর টিকে থাকবে। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে, এটা ভয়াবহ। রাষ্ট্র সরকারের দমন, পীড়ন, সংস্কৃতির আগ্রাসনে পাহাড়িদের অস্তিত্ব ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। সেজন্যই আমাদের এক চাকমা মেয়ে বাঙালী বিয়ে করা মানে জনসংখ্যা কমিয়ে আসা, সাথে আমার মূল সংস্কৃতিগুলোকে সংকর করা, মৌলিকতাকে হারিয়ে ফেলা। এক চাকমা মেয়ে বাঙালী বিয়ে করলে তাঁকে অবশ্যই ধর্মান্তরিত হতে হবে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হবে, মুসলমান সমাজ ব্যবস্থায় থাকতে হবে, তাছাড়া নারীদের জন্য ইসলামিক সমাজ খুব অমানবিক। চিরাচরিতভাবে ইসলাম ধর্ম একজন আধুনিক যুগের মানুষের জন্য গ্রহনযোগ্য নয়। এটা খুব বর্বর ধর্ম,সামাজিক -রাজনৈতিক এমনকি অর্থনৈতিকভাবেও ক্ষতি করে থাকে। ব্যক্তিগতভাবে আমি কোনো ধর্মের অনুসারী নই, উদাহরণ টানতে গিয়ে ধর্মকে টেনে আনলাম। তাই পাহাড়ের সামাজিক আইন ছেলে হোক মেয়ে হোক অন্য জাতে বিয়ে করাকে মেনে নেয়া হয় না। এটা যে মেয়েদের বেলায় তা কিন্তু না, অর্থাৎ আইন নারী পুরুষ সকলের জন্য সমান।

দ্বিতীয়ত, এযাবৎ যতোগুলো পাহাড়ি মেয়ে বাঙালী ছেলে বিয়ে করেছে কেউ সুখী হয়ে উঠতে পারেন নি। তাঁর প্রধান কারণ হতে পারে বাঙালী সমাজ ব্যবস্থায়। ছোটকাল থেকে অবাধ স্বাধীনতায় বেড়ে উঠা মেয়ে হুট করে বন্দি বা রক্ষণশীল সমাজে কখনো মানিয়ে নিতে পারেন না। এখন কেউ যদি উদাহরণ দেন- অনেক পাহাড়ি মেয়ে বাঙ্গালি ছেলের সাথে সুখে আছে, তাহলে আমি বলবো সেগুলো শুধু ব্যতিক্রম, কেবলমাত্র ব্যতিক্রমই, উদাহরণ নয়।

ভালোবাসার স্বপ্ন দেখে বাঙালী ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যাওয়া অনেক মেয়েকে লাশ হয়ে ফিরে আসার ঘটনাও রয়েছে। আমরা দেখেছি বাঙালির ছেলেরা প্রতারনার ফাঁদে ফেলে অনেক পাহাড়ি মেয়ের জীবন শেষ করে দিতে। সেজন্যও পাহাড়ি সমাজ কখনো মেনে নেয় না অন্যজাতে বিয়ে করাকে।

তৃতীয়ত, প্রধান যে সমস্যাটা সেটা হচ্ছে রাজনৈতিক দ্বন্ধ। যে দ্বন্ধটা শেখ মুজিবুর রহমান শুরু করেছিল তা পরিপুর্ণ করেছে জিয়া এরশাদরা। বাংলাদেশ সরকার আর পাহাড়িদের মাঝে রাজনৈতিক সমস্যাটা চলে আসছে স্বাধীন বাংলাদেশ হওয়ার পর থেকে। পার্বত্য চট্টগ্রামে রাজনৈতিক সমস্যার মধ্য প্রধান সমস্যাটা হচ্ছে ভুমি সমস্যাটা। এই সমস্যাটা সমাধান না হলে কখনো শান্তি ফিরে আসবে না পার্বত্য চট্টগ্রামে। সমতল থেকে কিছু নামধারী নারীবাদী, মানবতাবাদীরা মানবতা প্রসব করে এভাবেই-আমরা সবাই বাংলাদেশি, একজন বাঙালির জন্য গোটা বাংলাদেশ যেমন উন্মুক্ত, তেমনি একজন পাহাড়ির জন্যও উন্মুক্ত, তাহলে একজন বাঙালী পাহাড়ে থাকলে সমস্যা কী। তাঁদের জ্ঞাতার্থে বলছি- পাহাড়ের মানুষরা কখনোই বলেন নাই একজন বাঙালী পার্বত্য চট্টগ্রামে থাকতে পারবেন না, কিন্তু তা হতে হবে বৈধভাবে, কারোর জায়গা অবৈধভাবে দখল করে নয়। একটূ স্মরণ করিয়ে দিই, পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ী-বাঙালি মিলেমিশে বসবাস করে আসছে অনেক আগে থেকেই। বাঙালী বলতে আমি সেসব বাঙালিদের বলছি যারা আদিকাল থেকে বসতি কারে আসছে পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়িদের সাথে। এদের সাথে কখনো সমস্যা ছিল না, এমনকি এখনও কোনো ধরণের সমস্যা নাই। পাহাড়িদের সাথে মূল দ্বন্ধটা হচ্ছে অবৈধভাবে বসবাসকারী বাঙালিদের সাথে। আশির দশকে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে যে সেটেলারদের ঢুকিয়ে দিয়েছেন সেসব সেটেলারদের সাথে ভূমি সমস্যাটা। কারণ বর্তমানে তাঁরা যেসব জায়গায় বসতি করতেছে সব জায়গাগুলো অবৈধভাবে দখলকৃত জায়গা। এই জায়গাগুলো ছিল পাহাড়িদের। এখন পাহাড়িরা হয়েছে ভিটেমাটিহীন। একজন বাঙালী যেমন একজন পাকিস্তানীর সাথে সামাজিকভাবে সম্পর্ক রাখতে দশবার চিনতে করবে, তেমনি একজন পাহাড়িও একজন বাঙালির সাথে সম্পর্ক রাখতে দশবার চিন্তা করে।

ষোল কোটি বাঙ্গালির থেকে কয়েক লক্ষ বাঙালী অন্যজাতে বিয়ে করলেও তাঁদের জনসংখ্যার, রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিকভাবে কোনো প্রভাব পড়বে না। কিন্তু আমাদের পাঁচ -ছয় লক্ষ চাকমাদের থেকে একজন বিয়ে করলেও তা চাকমাদের জনসংখ্যার ,রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, ভাষাগতভাবে প্রভাব পড়বে। যার ফলে জাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াবে। তাই আমরা উদার নারীবাদীকে প্রশ্রয় দিতে পারছি না।

এখন কেউ যদি বলে-মানুষ হিসেবে তাঁর অধিকার আছে কার সাথে ঘর বাঁধবে, কোন সমাজে থাকবে, সেক্ষেত্রে একজন চাকমা নারীরও সম্পূর্ন অধিকার আছে। আরো এক কাঠি সরেস হয়ে যদি বলেন-আধুনিক যুগেও জাতপাতের চিন্তা নিয়ে বসে আছেন, তাইলে বলি প্রতিটি মানুষের নিজস্ব জাতিসত্তা আছে, যেগুলো নিয়ে একজন মানুষ বেঁচে থাকে, মানুষের পরিচয় বহন করে। পৃথিবীতে যতদিন মানুষ থাকবে ততদিন মানুষের জাতিসত্তার বৈশিষ্ট্য নিয়ে বেঁচে থাকবে। একজন বাঙালী যেমন কখনো চাকমা হতে পারবে না, তেমনি একজন চাকমাও কখনো বাঙালী হতে পারবে না। তাছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক সমস্যাটা সমাধান হয় নি, পাহাড়ে এখনও বিপ্লবী সংগ্রাম চলছে, বিপ্লবী সংগ্রামকারীরা সব দিক দিয়ে উদারনীতি গ্রহণ করতে পারেন না। ভিয়েতনামের মহান বিপ্লবী নেতা হো চি মিন বলেছেন- "একজন সাচ্চা কমিনিউষ্টকে প্রাথমিকভাবে একজন জাতীয়তাবাদী হতে হয়। তারপর নিজেকে একজন আন্তর্জাতিকতাবাদী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। নিজের দেশের মানুষ, দেশের প্রকৃতিতে ঠিক-ঠাক মতো চিনে না নিতে পারলে, বিপ্লব পরিস্থিতি গড়ে তোলা সম্ভব নয় "

দ্রষ্টব্যঃ পাহাড় সম্বন্ধে জ্ঞান দিতে চাইলে গভীরভাবে পাহাড়িদের সম্বন্ধে জানতে হবে। ফেইসবুকে কয়েকটা উন্মাদ ছেলেপুলের উগ্রবাদী পোষ্টগুলো দিয়ে বিচার করলে পাহাড়িদের চেনা যাবে না। নারীবাদ, মানবতাবাদ আমরাও বুঝি, কিন্তু এগুলো সব পরিবেশ-পরিস্থিতিতে প্রয়োগ হয়ে থাকে না বিভিন্ন সমস্যার কারণে। বাংলাদেশ সরকার দ্বারা অত্যাচারের চিত্রগুলো পাহাড় থেকে সমতলে কখনো পৌঁছায়নি, বিশ্বায়নের সুবিধার ফলে আমরা গুটিকয়েক খবর পেয়ে থাকি, তাও সংবাদপত্রে, মিডিয়াতে সঠিক তথ্যগুলো পৌছায়না। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে মোবাইল নেটয়ার্ক চালু হওয়ার আগ পর্যন্ত কোনো খবরই সমতলে আসতো না, ছোটকালে সেনাবাহিনীর অত্যাচারে রাতের পর রাত জঙ্গলে কাটাতে হয়েছে, গ্রাম জনশূন্য করে দেবার খবর কখনোই পৌঁছায়নি সমতলে। রাষ্ট্রের দ্বারা দমন, পীড়ন, অত্যাচার, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন, নিজ ভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করা থেকে বিরত থাকতে হলে, নিজ জায়গায় পরবাসীর মতন হয়ে থাকা, রাষ্ট্রের দু'আইনের শিকার হওয়া, রাষ্ট্রের আইনের দ্বারা নির্দোষীকে দোষী বানিয়ে আইনের ফাঁদে ফেলা, রাষ্ট্র শক্তির মদদে পাহাড়ী নারীদের ওপর ধর্ষণ করা, এসমস্ত বর্বর অমানবিক, অগণতান্ত্রিকভাবে পাহাড়িদের ওপর প্রতিনিয়ত অত্যাচারের দৃশ্য দেখে থাকলে নারীবাদ, মানবতাবাদীবাদ গুলোকে একপাশে সরে রাখতে হয়।


  • ২৯৮২ বার পড়া হয়েছে

পূর্ববর্তী লেখা পরবর্তী লেখা

বিঃদ্রঃ নারী'তে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার বিষয়বস্তু, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যসমুহ সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব। প্রকাশিত সকল লেখার বিষয়বস্তু ও মতামত নারী'র সম্পাদকীয় নীতির সাথে সম্পুর্নভাবে মিলে যাবে এমন নয়। লেখকের কোনো লেখার বিষয়বস্তু বা বক্তব্যের যথার্থতার আইনগত বা অন্যকোনো দায় নারী কর্তৃপক্ষ বহন করতে বাধ্য নয়। নারীতে প্রকাশিত কোনো লেখা বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রকাশ কপিরাইট আইনের লংঘন বলে গণ্য হবে।


মন্তব্য টি

লেখক পরিচিতি

বিশ্ব চাকমা

বিশ্ব চাকমা মানবাধিকারের প্রথম শর্ত হিসেবে মনে করেন, জাত, বর্ণ, গোষ্ঠী নির্বিশেষে মানুষের প্রথম পরিচয় মানুষ।

ফেসবুকে আমরা