আমাদের মুক্তি কোন্‌ পথে?

রবিবার, জানুয়ারী ২৮, ২০১৮ ৯:৪১ PM | বিভাগ : দেশ/রাজনীতি


ভারতের বা বাংলাদেশের রাজনীতিতে সেক্যুলারিজম বা ধর্মনিরপেক্ষতা বিষয়ের উপর আলোচনা বক্তারা সাধারণতঃ দ্বি-জাতি তত্ত্ব দিয়ে শুরু করেন কিন্তু আমি আমার আলোচনা আরও পেছন থেকে শুরু করতে চাই। আমি বুঝতে চেয়েছি, অখণ্ড ভারতের মুসলিম জনগোষ্ঠীর একটা বড় অংশ কেনো আলাদা রাষ্ট্র চেয়েছিলেন, কেনো তাঁরা হিন্দুদের সাথে একই রাষ্ট্রে থাকতে চান নি। এ অনুসন্ধিৎসা শুরুর সাথে সাথে আমার সবচে প্রথম মনে পড়েছে ভারতের সংবিধান প্রণেতা বাবা আম্বেতকরের কথা, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের ও যুক্তরাজ্যের শ্রেষ্ঠ দু’টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রী নিয়ে দেশে ফিরে আসার পরও একটা কলেজে শিক্ষক হিসেবে উচ্চবর্ণের সহকর্মীরা তাঁকে একই কল থেকে জল পান করতে দেন নি, উচ্চবর্ণের লোকদের সাথে ট্রেনের একই কামরায় বসতে পারেন নি। কিন্তু তিনি দমে যান নি। ভারতের স্বাধীনতা অর্জনে তিনি অসামান্য অবদান রাখেন, স্বাধীন ভারতের সংবিধান প্রণয়নে শীর্ষ ব্যক্তির ভূমিকা পালন করেন, স্বাধীন ভারতের প্রথম আইন মন্ত্রী নিযুক্ত হন। এত কিছুর পরেও তিনি উচ্চবর্ণের হিন্দুদের দৃষ্টিভঙ্গীতে, আচরণে সন্তুষ্ট হতে পারেন নি এবং মৃত্যুর কিছু কাল আগে তাঁর কয়েক লক্ষ অনুসারী নিয়ে সনাতন ধর্ম পরিত্যাগ করে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন। সনাতন ধর্ম পরিত্যাগ কালে তিনি মন্তব্য করেন, ‘যে ধর্মের মূল গ্রন্থের মধ্যে বর্ণ-বৈষম্যের শিক্ষা আছে, সেই ধর্মে থেকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে চাই না।‘

এটা গেলো উচ্চবর্ণের হিন্দুদের নিম্ন বর্ণের প্রতি ঘৃণার প্রকাশ। ঠিক একই রকম ঘৃণা ছিলো মুসলমানদের প্রতিও। আমার সৌভাগ্য যে, আমি একজন প্রগতিশীল, সাম্যবাদী পিতার সন্তান হয়ে জন্মেছি। ভারত বিভাগের কথা স্মরণ ক’রে ও বর্তমান ভারতে, পাকিস্তানে, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতার ধ্বংসাত্মক রূপ দেখে আমার বাবা ইতিহাসের গোড়ার দিকে ফিরে গিয়ে গভীর বিষন্নতার সঙ্গে বলেছিলেন, ‘বর্ণ প্রথাই দায়ী এ সবের জন্য, উচ্চবর্ণের ব্রাক্ষণদের কারণেই দেশটা রসাতলে গেলো। না হলে, ভারতীয় উপমহাদেশে তো কোনো মুসলমান ছিলো না। নিম্নবর্ণের হিন্দুরা উচ্চবর্ণের লোকদের নিগ্রহের কারণেই ধর্ম পরিত্যাগ করেছে। উচ্চবর্ণের হিন্দুরা নিম্ন বর্ণের হিন্দুদের, মুসলমানদের মানুষ বলেই গন্য করে নি!’ আমার বাবা আমাকে আরও জানিয়েছিলেন, ‘আমার শৈশব-কৈশোরে আমি দেখেছি, আমাদের স্কুলে মুসলিম ছাত্রদের ক্লাস রুমের একেবারে পেছনে দাঁড়িয়ে ক্লাশ করতে হতো।  উচ্চবর্ণের হিন্দুদের থেকে নেমে আসা এই ঘৃণা প্রবাহিত হয়ে চলেছে যুগের পর যুগ, শতাব্দীর পর শতাব্দী। শতাব্দী ধরে উচ্চবর্ণের হিন্দুদের অবজ্ঞা, অপমান, নিগ্রহ, অত্যাচার, বঞ্চনা ইত্যাদির কারণেই মুসলমানরা হিন্দুদের সাথে এক রাষ্ট্রে থাকতে চায় নি, ভারত-বিভাগের সুযোগে তাঁরা নিজেদের জন্য আলাদা রাষ্ট্র চেয়েছে!’ -যে কথা শুনে আমার অন্তরাত্মা হাহাকার ক’রে উঠেছিলো নিঃশব্দে, রক্তক্ষরণ হয়েছিলো ভেতরে।  

ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে একটা নির্মম পরিহাস হলো, মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্‌ ব্যক্তি জীবনে ধর্ম বর্জন ক’রেও রাজনীতি করলেন সাম্প্রদায়িক রাজনীতি -ভারত বিভাগ প্রসঙ্গে দিলেন ‘দ্বি-জাতি তত্ত্বের’ মতো এক অদ্ভুত অযৌক্তিক ফরমুলা। মুসলমানেরা  যদি হিন্দুদের কাছ থেকে বৈষম্যের শিকার হওয়ার কারণেই আলাদা রাষ্ট্র চেয়ে থাকে, তাহলে তো তাঁদের একটি সমতা-ভিত্তিক রাষ্ট্র নির্মাণ করার প্রয়াস নেয়ার কথা ছিলো। কিন্তু তাঁরা নির্মাণ করলেন একটা ইসলামিক প্রজাতন্ত্র। ‘ইসলামিক প্রজাতন্ত্র’ বলে এখানে থেমে গেলেই হবে না। যেটা আরও গুরুত্বপূর্ণ হা হলো, পাকিস্তান নামে যে রাষ্ট্রটি সৃষ্টি হলো, তার কর্তৃত্ব চলে গেলো ‘মুসলমান ব্রাক্ষণদের’ হাতে অর্থাৎ সামন্ত প্রভূদের হাতে। এই মুসলমান ব্রাক্ষ্মণরাই তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের ‘শীর্ণকায়, তামাটে বর্ণের, খর্বাকৃতি, ছোট লোকদের’ প্রাধান্য তাঁদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা সত্ত্বেও মেনে নিতে চায় নি, পূর্ব পাকিস্তানের ‘শীর্ণকায়, তামাটে বর্ণের, খর্বাকৃতি, ছোট লোকদের’ মধ্য থেকে কেউ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হবেন, তা বরদাশ্‌ত করতে পারে নি।

পক্ষান্তরে, ভারতে যাঁরা ক্ষমতায় এলেন, তাঁরা, জন্মগতভাবে ব্রাক্ষ্মণ হলেও, ছিলেন আসলে জনগণের লোক, সাধারণ মানুষের কাতারে নেমে আসা অতি সাধারণ জীবন যাপনকারী সাধারণ মানুষ। উদাহরণ স্বরূপ, নেহেরু উচ্চ বর্ণের ব্রাক্ষ্মণ হওয়া সত্ত্বেও ছিলেন নাস্তিক ও সমাজতন্ত্রের প্রতি আস্থাশীল, যাপন করতেন সাদা মাটা জীবন। গান্ধীর কথা বলাই বাহুল্য। এঁরা সৃষ্টি করলেন একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র যেখানে মুসলমানদের বসবাস করার জন্যও স্বাগত জানানো হলো, সমান অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়া হলো।

অর্থাৎ নামে প্রজাতন্ত্র হলেও পাকিস্তানের শাসনভার গেলো সামন্তীয় শ্রেণির হাতে আর ভারতের শাসনভার গেলো জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিদের হাতে। পাকিস্তান রাষ্ট্রের আদর্শ হল ইসলামী দর্শন, প্রজাতন্ত্রের আড়ালে সামন্ততন্ত্র এবং পরবর্তীতে আমলাতন্ত্র ও সমরতন্ত্র আর পক্ষান্তরে, ভারতের আদর্শ হল সেক্যুলারিজম ও গণতন্ত্র। ইতিহাসের ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের গবেষকরা যখন বর্তমানের ভারত ও পাকিস্তানের উন্নয়নের তুলনামূলক আলোচনা করেন, তখন এই পার্থক্যকেই দুই রাষ্ট্রের উন্নয়নের ব্যবধানের প্রধান কারণ হিসেবে উপস্থাপন করেন।

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনীতির হাতেখড়ি মুসলিম লীগ নেতা সোহ্‌রাওয়ার্দীর হাতে হলেও তিনি  দ্রুত উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন যে, আধুনিক বিশ্বে একটা উন্নত আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠতে হলে, তা ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ ছাড়া সম্ভব নয়। তিনি চোখের সামনে পাকিস্থানে অধোগামিতা আর ভারতের উর্ধগামিতা প্রত্যক্ষ করলেন এবং উপোরক্ত কারণ অনুধাবন করলেন, দেখলেন চারদিকে দেশে দেশে সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের জোয়ার, প্রভাবিত হলেন ভাসানীর শ্রমিক-কৃষকবাদী সাম্যবাদী আদর্শ দ্বারা, উপলব্ধি করলেন যে, তাঁর রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা দরকার তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের এক-তৃতীয়াংশ হিন্দু জনগোষ্ঠীকেও, বুঝলেন ধর্মনিপেক্ষতার রাজনীতি ছাড়া ভারতের সহযোগিতা পাওয়া যাবে না পশ্চিম পাকিস্তানীদের সাথে লড়তে। বিচক্ষণ, প্রত্যুৎপন্নমতী শেখ মুজিব তাই গুরু সোহ্‌রাওয়ার্দীর ধর্মবাদী রাজনীতি ছেড়ে চলে এলেন ধর্মনিপেক্ষতার রাজনীতির দিকে এবং মুসলিম শব্দ বাদ দিয়ে দলের নাম দিলেন আওয়ামী লীগ মানে মানুষের দল।

এভাবে ধর্মনিপেক্ষতা ও অসাম্প্রদায়িকতা হয়ে উঠলো বাঙালির আদর্শ এবং এর ভিত্তিতেই জন্ম হলো বাংলাদেশের। কিন্তু বাংলাদেশ নামক ট্রেনের লাইনচ্যুতি ঘটলো ১৯৭৫ সালের আগস্ট মাসে জাতির জনকের হত্যাকাণ্ডের মুধ্য দিয়ে এবং পাকিস্তান রাষ্ট্রের আদর্শের অনুসারীরা ক্ষমতায় থাকলো ১৯৯০ পর্যন্ত। সংবিধানে কোরানিক ভার্স যুক্ত ক’রে এবং সংবিধান থেকে রাষ্টের মূলনীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দিয়ে জিয়াউর রহমান তাঁর ‘আই উইল মেইক পলিটিক্স ডিফিকাল্ট ইন বাংলাদেশ’ নীতি সফলভাবে বাস্তবায়ন করেন এবং বাংলাদেশের পাকিস্তান যাত্রা নিশ্চিত করেন। রাষ্ট্রধর্ম বিল পাশ ক’রে এরশাদ, জিয়াউর রহমান সূচিত যাত্রাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যান। পৃথিবীর উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যখন আধুনিক ইউরোপের আদলে উন্নত আধুনিক রাষ্ট্র নির্মাণের চেষ্টা চলছে, তখন বাংলাদেশ নির্মাণের কাজ চলেছে পাকিস্তান-আফগানিস্তান-সৌদি আরবের মতো পশ্চাদপদ দেশের আদলে।

বর্তমান সময়ে আমাদের সামনে এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, শেখ মুজিব কন্যা শেখ হাসিনা কি বাংলাদেশ নামক ট্রেনটির গতিমুখ জিয়া-এরশাদ কর্তৃক সূচিত ইসলামী তথা সাম্প্রদায়িক আদর্শের দিকেই চালিত রেখেছেন নাকি পিতার প্রগতিবাদী তথা সেক্যুলার আদর্শের দিকে চালিত করার চেষ্টা করেছেন অথবা করতে চাইছেন কিন্তু পারছেন না?

২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ব্লগার রাজীব হায়দারের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর থেকে একের পর এক ব্লগার, লেখক, প্রকাশক, ভিন্নমতের, ভিন্ন জীবনধারার মানুষদের হত্যাকাণ্ডে হাসিনা সরকারের পরোক্ষ ইন্ধন, মৌলবাদীদের দাবীতে মেয়েদের বিয়ের বয়স কমিয়ে আনা, সুপ্রিম কোর্ট ভবন থেকে মৌলবাদীদের দাবীতে গ্রীক পুরাণে ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে খ্যাত জাস্টিসিয়ার মূর্তি অপসারণ ও সেক্যুলারিস্টদের নোংরা ভাষায় আক্রমণ করা, বাংলাদেশের পাঠ্য বই থেকে প্রগতিবাদী ও বাঙালি সংস্কৃতির উপাদান সম্বলিত সাহিত্য বাদ দেয়া, ‘বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিকতার ভিত্তি হবে ইসলামী শিক্ষা’- হাসিনা সরকারের শিক্ষামন্ত্রীর এই রকম ঘোষনা, ৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার সুপ্রিম কোর্টের সুস্পষ্ট নির্দেশনা সত্ত্বেও পঞ্চদশ সংশোধনীতে রাষ্ট্রধর্ম বহাল ইত্যাদি আমাদের এই ধারণাই দেয় যে, শেখ হাসিনা ও তাঁর দল বাংলাদেশকে একটি উন্নত আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিবর্তে একটি ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র নির্মাণেই আগ্রহী কারণ হেফাজত তথা ইসলামী ফ্রন্ট এমন কোণো শক্তি অর্জন করে নি যে, তাঁদের ভয়ে বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের বিপরীতে চালিত করতে হবে। আওয়ামী লীগ ও তার সরকার যদি ইসলামী শক্তিকে মোকাবেলা করার জন্য নিজেকে যথেষ্ট শক্তিশালী মনে না করে, তাহলে শেখ হাসিনা নিজেই উদ্যোগ নিয়ে বাংলাদেশের সকল বাম ও প্রগতিশীল ডান দলগুলোকে সাহায্য-সহযোগিতা ক’রে  একটা শক্ত বিরোধী জোট তৈরি করতে পারতেন পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসিকে অর্থবহ করার জন্য, যা নেহেরু করেছিলেন ভারতের স্বাধীনতার পর। আর তাছাড়া সেই জোট তৈরি ক’রে সেটাকে মৌলবাদ দমনের কাজে নিজের সঙ্গে সামিল ক’রে যৌথভাবে ধর্ম ব্যবহারের রাজনীতিকে পরাস্ত করতে পারতেন। কিন্তু এ রকম সদিচ্ছা তাঁর মধ্যে মোটেই দৃশ্যমান নয়।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে পাকিস্তানের ইসলামী রাজনীতির লক্ষ্মণই শুধু নয়, সে দেশের সামন্তীয় ভাবধারার, পরিবারতন্ত্রের, আমলাতন্ত্রের, সমরতন্ত্রের, ব্যবসাতন্ত্রের— সর্বোপরি, ব্রাক্ষ্মণ্যবাদের লক্ষ্মণ সুস্পষ্ট। দেশের সাধারণ মানুষকে যদি বাঁচাতে হয় তাহলে রাজনীতিকে নিয়ে আসতে হবে সাধারণ মানুষের হাতে। শক্তিশালী করতে হবে নিম্নবর্গের মানুষকে, শ্রমজীবি মানুষকে, নারীকে— সব ধর্মের, সব গোত্রের, সব বিশ্বাসের, সব মতের, সব নৃ-গোষ্ঠীর মানুষকে সমানভাবে।  

তাহলে, এখন আমরা যাঁরা বাংলাদেশে একটি সমতাভিত্তিক, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও একটি উন্নত আধুনিক সেক্যুলার রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চাই, আমাদের কর্তব্য কী? আমাদের কর্তব্য হলো, বিরাজমান কোনো দলের উপর ভরসা না ক’রে আমাদের একত্রিত হতে হবে যে যেখানে আছি সেখান থেকেই যাঁর যা সাধ্য আছে- তাই নিয়ে, যে ক্ষেত্রে যার যোগ্যতা আছে সেই ক্ষেত্রে অবদান রেখে। একত্রিত হতে হবে সেক্যুলার আদর্শের পতাকা তলে প্রথমে সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিগত চর্চার সূত্র ধরে এবং পরে একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তূলে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের দায়িত্ব গ্রহণ করার লক্ষে। আজকে সীডনীতে আপনাদের আমন্ত্রণে বক্তৃতা দিতে এসে আমি এই বার্তাটিই সবার কাছে পৌঁছে দিতে চাই। সবাইকে ধন্যবাদ।   

বিশেষ জ্ঞাতব্য:

১। প্রবন্ধটি ২০১৬-এর ১৯ জুন সিডনির লাকেম্বা লাইব্রেরি হলে “মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং আজকের বাংলাদেশ” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে  মুখ্য আলোচক হিসেবে লেখকের বক্তৃতার সংক্ষিপ্ত ফর্ম।

২। #BeHumaneFirst ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে লেখাটি ছাপানো হলো।


  • ২১৫৭ বার পড়া হয়েছে

পূর্ববর্তী লেখা পরবর্তী লেখা

বিঃদ্রঃ নারী'তে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার বিষয়বস্তু, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যসমুহ সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব। প্রকাশিত সকল লেখার বিষয়বস্তু ও মতামত নারী'র সম্পাদকীয় নীতির সাথে সম্পুর্নভাবে মিলে যাবে এমন নয়। লেখকের কোনো লেখার বিষয়বস্তু বা বক্তব্যের যথার্থতার আইনগত বা অন্যকোনো দায় নারী কর্তৃপক্ষ বহন করতে বাধ্য নয়। নারীতে প্রকাশিত কোনো লেখা বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রকাশ কপিরাইট আইনের লংঘন বলে গণ্য হবে।


মন্তব্য টি

লেখক পরিচিতি

এন এন তরুণ

এন এন তরুণ পেশায় অর্থনীতিবিদ্‌। সাইবেরিয়ান ফেডারেল ইউনিভার্সিটির ইকোনোমিক্সের প্রফেসার। পড়াশুনা করেছেন ইংল্যাণ্ডের ইউনিভার্সিটি অফ লীডজ, লণ্ডন স্কুল অফ ইকোনোমিক্স ও বাথ ইউনিভার্সিটিতে। তিনি একাডেমিক বিষয় হিসেবে অর্থনীতি ও রাজনীতি নিয়ে লেখেন। অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যাণ্ড, রাশিয়া, ইংল্যাণ্ড, কানাডার বেশ কিছু ইউনিভার্সিটিতে ও কনাফারেন্সে পেপার প্রেজেন্ট করেছেন, লেকচার দিয়েছেন ড. তরুণ— রয়্যাল ইকোনোমিক সোসাটি (ইংল্যাণ্ড), ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ এসোসিয়েশন (ইংল্যাণ্ড), বাথ রয়্যাল সায়েন্টিফিক এণ্ড লিটারেরী ইন্সটিইউট (ইংল্যাণ্ড), অস্ট্রেলিয়ার মারডক ইউনিভার্সিটি এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। সম্প্রতি, ২০১৮-এর জানুয়ারীতে ফিলাডেলফিয়াতে আমেরিকান ইকোনোমিক এসোসিয়েশন কনফারেন্সে পেপার প্রেজেন্ট করেছেন তিনি।

ফেসবুকে আমরা